পুলিশ- প্রশাসন পকেটে থাকে হামিমের
“পুলিশ-প্রশাসন আমার হাতে, ভৈরবে র্যাব, পুলিশ লইয়া খাড়াইয়া থাকুম,টাস টাস কইরা গুলি করুম, অস্ত্র নামাইতাছি, অস্ত্র লইয়া গুলি করুম, সোজা একেবারে খাইয়া ফালাইমু” এমন সব হুমকি ধামকি মুলক আচরণ কিশোর গ্যাং লিডার সন্ত্রাসী হামিমের। কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানাধীন চন্দ্র গ্রামের ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে হামিম। তার ভাই রাকিবুল ইসলাম রুবেল সহ হামিমের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পর এমন হুমকি প্রদান করেন তথ্য প্রদানকারী সোর্সকে। গুলি করা সহ প্রাণনাশের হুমকির বক্তব্য সহ অডিও ক্লিপ টুডে টাইমসের সংগ্রহে আছে।
রাজধানীর খিলগাওঁ এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রাকিবুল ইসলাম রুবেল (৩০)ও তার ছোট ভাই মাদক ব্যবসায়ী হামিমের মাদক ব্যবসা ও অপকর্মের সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই তথ্য প্রদানকারী সোর্সকে নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানাধানী চন্দ্রগ্রামের ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর খিলগাঁও বাসাবো এলাকায় বসবাস করে অভিনব কায়দায় ইয়াবা ট্যাবলেট, ফেনসিডিল, বিদেশী মদ, বিয়ারের পাইকারী, খুচরো ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ছোট ভাই স্থানীয় কিশোরগ্যাং লিডার হামিম সহ বেশ কয়েক জন নারী ও উঠতি বয়সী যুবকদেরর মাধ্যমে এসব আদান প্রদান করা হচ্ছে বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।
ইতিমধ্যে মাদক ব্যবসায়ী রাকিবুল ইসলাম রুবেল কে বিপুল পরিমান মাদকের চালান সহ গ্রেপ্তার করেছিলো র্যাব ১ ও র্যাব ৩ ।অনুসন্ধান বলছে, রুবেলের ছোট ভাই কিশোরগ্যাং লিডার, মাদক ব্যবসায়ী হামিম কে ও গ্রেপ্তার করেছিলো বাজিতপুর পুলিশ।
তবে কোন ভাবেই এদের নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছেনা। চক্রটি গ্রেপ্তার হওয়ার পর মোটা অংকের টাকা ব্যয় করে দ্রুত জামিনে মুক্ত হয়ে ফের বেপরোয়া গতিতে মাদক ব্যবসায় সক্রিয় হয়। জানা গেছে, মাদক ব্যবসায়ী রাকিবুল ইসলাম রুবেল ও তার ছোট ভাই হামিম দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা কক্সবাজারের টেকনাফ, বেনাপুল, ব্রাক্ষনবাড়িয়া জেলার আখাউড়া সহ বিভিন্ন সিমান্ত থেকে ইয়াবা, ফেনসিডিল, মদ, বিয়ারের বড় বড় চালান কখনো বিমানে, কখনো প্রাইভেট কার, কখনো যাত্রীবাহী বাস, মোটর সাইকেল, ব্যবহার করে মাদকের চালান রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেয়।
একাধিক সুত্রে জানা গেছে, মাদক ব্যবসায়ী রাকিবুল ইসলাম রুবেলের বিরুদ্ধে মাদক, ডাকাতি, হত্যা সহ নানা অপরাধে বনানী, গুলশাল, এয়ারপোর্ট, সিলেট, ভৈরব, যাত্রাবাড়ী, সবুজবাগ থানা সহ দেশের বেশ কয়েকটি থানায় মামলা থাকলে জামিনে বের হয়ে আসার পরে আদালতে হাজিরা না দেয়ায় এ মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক গ্রেপ্তার পরোয়ানা জারী আছে।
তবে রুবেল আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কারী বাহিনীর চোখে ধূলো দিয়ে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে অভিনব কায়দায়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে , মাদক ব্যবসায়ী রাকিবুল ইসলাম রুবেল তার ছোট ভাই কিশোরগ্যাং সন্ত্রাসী হামিম সহ বেশ কয়েকজন সুন্দরী নারী ও উঠতি বয়সী যুবকদের ব্যবহার করে ঢাকা মেট্রো ১৯-৪৭৬১ প্রাইভেট কার, হামিমের ব্যবহৃত মোটর সাইকেল সহ বিভিন্ন পরিবহন ব্যবহার করে রাজধানী ঢাকার গুলশাল, বনানী, ধানমন্ডি, মতিঝিল, উত্তরা , এয়ারপোর্ট সহ অভিজাত এলাকায় পাইকারী, খুচরা সহ হোম ডেলিভারী দিয়ে যাচ্ছে ।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মাদক ব্যবসায়ী রাকিবুল ইসলাম রাকিবের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে 01606527523 একাধিকবার কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে। এদিকে অপর মাদক ব্যবসায়ী ও কিশোরগ্যাং সন্ত্রাসী হামিম কে খুজেঁ পাওয়া যায় নি । কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোর্শেদ জামান জানান, মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, কিশোরগ্যাং সহ অপরাধীদের বিরুদ্ধে আমাদের নিয়মিত অভিযান চলছে। সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হেবে।










