বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দুর্ধর্ষ বিজয় স্পেনের!
বিশ্ববাসীর ব্যাপক উন্মাদনা নিয়ে প্রতি চার বছর অন্তর অন্তর জমে ওঠে ফিফার জমকালো ফুটবল আসর। ফিফা কোয়ালিফাইং ম্যাচে উত্তীর্ণ প্রতিটি দেশের ই মনে এক আশার আলো জাগে যেন এবারের বিশ্বকাপটি তাদের দেশেই জায়গা করে নেয় ।
সেই থেকে বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর একের পর এক ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বাক্ষর রাখতে বল নিয়ে দুরন্ত গতিতে ছুটে বেড়ায় প্রতিটি দেশের ফুটবল তারকারা।
ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ এও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। বরং এইবার প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই অন্যতম রোমাঞ্চকর পারফরম্যান্স দিয়ে ফুটবল বিশ্বকে মাতিয়ে রেখে অনন্য রেকর্ড উপহার দিয়ে গিয়েছে উত্তীর্ণ ৪৮টি দল। এরই ধারাবাহিকতায় তিনটি দেশ- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার ত্রয়ো আয়োজিত বিশ্বকাপের সবচেয়ে উত্তেজনাময় ফাইনাল আমরা দেখতে পাই ১৯ জুলাই বাংলাদেশ সময়- দিবাগত রাত ১:০০ ঘটিকায়। আর্জেন্টিনা বনাম স্পেন, কে হবে এবারের বিশ্বসেরা? ভক্তদের মনে গভীর উত্তেজনা আর একটি প্রশ্নই বারবার ঘুরপাক খাচ্ছিলো।
ম্যাচটি এতটাই রোমাঞ্চকর ও চমকপ্রদো ছিলো যে, বেশ কয়েকবার স্পেনের ফুটবলারদেরকে আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা ইচ্ছাকৃতভাবে ফাউল করলেও স্পেনকে তাদের গোলপোস্টে একের পর এক আঘাত হানা থেকে কোনভাবেই আটকানো যায়নি। আরও বলা যায়, আর্জেন্টাইনদের পায়ে বল রাখার কোনো সুযোগই দেয়নি দুর্ভেদ্য স্প্যানিশরা। বল পায়ে টিম মেম্বারদের একতাবদ্ধ সুশৃঙ্খল দখল, ক্রমাগত গোলপোস্ট বরাবর আক্রমণ, কঠিন চ্যালেঞ্জ ও অনিশ্চিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েও ঠাণ্ডা মাথায় কোনরূপ সংঘর্ষে লিপ্ত না হয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার অদম্য সাহস ও মানসিকতা সব মিলিয়ে ১২০ মিনিটের ম্যাচে বিজয় এনে দেয় স্পেনকে।
স্পেন প্রথমবার বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছিলো ২০১০ সালে। প্রায় দীর্ঘ ১৬ বছরের পরিশ্রমকে স্বার্থক করে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতে দেশকে গৌরব এনে দিয়ে আনন্দে-উচ্ছাসে মেতে ওঠেন বিশ্ববাসীকে অবিশ্বাস্য একটি ম্যাচ উপহার দেয়া, স্প্যানিশ তারকারা। আশা করা যায়, দেশটি এই ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী বিশ্বকাপের জন্যে নিজেদের প্রস্তুতি আরও জোরদার করবেন।










