মতলব উত্তরে চুরির হিরিক; নিশ্চুপ পুলিশ
চলতি বছরের শুরু থেকেই মতলব উত্তরে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে চুরির ঘটনা । বাজার ঘাটে অবস্থিত বিভিন্ন দোকানে নিয়মিত ঘটছে মালামাল চুরির ঘটনা। এছাড়াও প্রতিনিয়ত মটর বাইক চুরির ঘটনা আতঙ্ক তৈরী করছে জনমনে। তবে ফেব্রুয়ারী ও মার্চ মাসে ঘন ঘন চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ।
উপজেলাটির দাসের বাজার ,গজরা,মান্দার তলী, লুধুয়া নয়াকান্দি বাজার, লুধুয়া স্কুল এন্ড কলেজ এলাকা সহ বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় চুরির ঘটনা ঘটে। গজরা ইউনিয়নের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম তফিজ এর মটর বাইক চুরি হয় তার নিজ বাড়ি থেকে।
গত ১৪ মার্চ উপজেলা শেখ রাসেল শিশু-কিশোর পরিষদ এর সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আবু সাইফ এর মটর বাইক চুরি হয় তার নিজ বাড়ি থেকে । লুধুয়া স্কুল এন্ড কলেজ এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জহির, ফার্মেসী ব্যবসায়ী হাসান, সাইফুল সহ অনেকের দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে।
গত ২২ মার্চ মান্দারতলী এলাকায় একটি দোকানে চুরীর প্রস্তুতি নেয়ার সময় এলাকা বাসি এক চোর কে হাতেনাতে আটক করে। এসময় এলাকাবাসি জানায়, লুধুয়া গ্রামের শফিউল্লাহ সরকার বাড়ির কুদ্দুস সরকার এর ছেলে কামাল একটি দোকানে চুরি করার সময় তারা আটক করেন।
পরে এলাকাবাসি আটক কামাল কে মতলব উত্তর থানা পুলিশের হাতে সপোর্দ করে।
একই দিনে উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়নের দাসের বাজার এলাকার সেতু এন্টারপ্রাইজে চুরি হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেতু এন্টার প্রাইজের মালিক
ব্র্রাক নিশ্চিন্তপুর শাখার এক কর্মকর্তা বলেন, ২৪ মার্চ উপজেলা নির্বাচন এ প্রিজাইডিং অফিসার এর দায়িত্ব পালনের পর ভোটের ফলাফল ঘোষণার সময় উপজেলা পরিষদের ভেতর থেকে তার মটর বাইক চুরি হয়।
চুরির শিকার দোকানদার জহির বলেন, সম্প্রতি দু’দফা তার দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে। প্রথম দফায় তার দোকানে থাকা মোবাইল রিচার্জ কার্ড এবং নগদ অর্থ চুরি হয়। দ্বিতীয় দফায় তার তেলের দোকানে থাকা ১ ব্যারেল তেল চুরি করে নিয়ে যায় চোর চক্র।
লুধুয়া স্কুল এন্ড কলেজ এলাকার অপর এক দোকান ব্যবসায়ী জুয়েল অভিযোগ করে বলেন, তার দোকানের তালা ভাঙ্গার চেষ্টা করে ব্যর্থ চোরচক্র ব্যর্থ হয়। এতে তালাগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হলেও চুরি করতে সক্ষম হয়নি চোর।
মাত্রাতিরিক্ত চুরির বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা ও পরিকল্পনা সম্পর্কে মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান এর মুখোমুখি হলে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে পাশকাটিয়ে প্রতিবেদককে এড়িয়ে যান।










