ভোলায় বসত ঘরে সাপের বাসা !
ভোলা সদর উপজেলার ১নং রাজাপুর ইউনিয়নের কন্দ্রকপুর গ্রামের এক বসতি ঘরে সাপের বাসা আছে বলে খরব পাওয়া গেছে, আতঙ্কে এলাকাবাসী। সরজমিনে গিয়ে বাড়ীর মালিক ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, রাজাপুর ইউনিয়নে কন্দ্রকপুর গ্রামের মোতাহার হোসেন বয়াতীর বসত ঘরে হঠাৎ গত ৩ মে বিকালের দিকে ৪-৫ টি সাপের বাচ্চা একটি গর্ত থেকে উঠতে দেখে স্থানীয় লোকজন এনে মোতাহার হোসেন বয়াতি ঐ গর্তটি খোরচালে ভিতরে আনুমানিক ২০০ মতো বিভিন্ন প্রজাতির সাপের বাচ্চা ও ডিম পাওয়া যায়। ঐ সাপের বাচ্চাটি মেরে মাটিতে ফুতে রাখে এর পরে ঐ গর্তটি আবার খোরচালে একের পর এক সাপের বাচ্চা বের হতে থাকে। এমন খবর এলাকায় প্রচার হওয়ার পরে ঐ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অন্যদিকে দিন মজুর মোতাহার হোসেন বয়াতী বাড়ী ঘর ছেড়ে প্রতিবেশী এক বাড়ীতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। এ বিষয়টি ঐ এলাকায় বেশ আলোরন সৃষ্টি হয়েছে। মোতাহার হোসেন বয়াতীর ছেলে ইব্রাহীম বয়াতী জানান, আমরা দিন মজুর এ পর্যন্ত ১৮-২০ হাজার টাকা বিভিন্ন সাপুরের পিছনে খরচ করেছি এখন আবার চরফ্যাশন থেকে তারা বেগম নামে এক সাপুরে কে এনেছি। তারা বেগমের সাথে এই বিষয়ে কথা হলে তিনি বলেন, আমার জীবনে এমন অনেক বাসাই দেখেছি তবে এটি সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। তিনি আরো বলেন সাপের বাচ্চাগুলোকে আঘাত করাই ঐ বাকী সাপগুলো বাড়ীর লোকজনকে ধংশন করার জন্য আসলে ও এই বাড়ীতে উৎসক জনতার ভির থাকার কারনে পারছে না। আপনার ধারনা মতে কতদিন আগ থেকে এই ঘরে সাপটি বাসা করতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ১-২ মাস আগ থেকে সাপ এই ঘরে বাসা বেদেছে বলে ধারনা করা যায়। তিনি বলেন গরাই কালী পানা সহ ৪-৫ প্রজাতির সাপ, স্থানীয় মেম্বার সালাম জমাদার জানান, এমন একটি ঘটনা পুরো এলাকা আতঙ্কে ছড়িয়ে পড়েছে। অন্যদিকে মোতাহার হোসেন বয়াতী জানান, সাপুরেদের পিছনে টাকা খরচ করার মত সামর্থ আমার নেই। আমি সমাজের সামর্থমান ও যাথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি।










