সেচ্ছায় অবসরে এয়ারটেলের ১২০ কর্মী
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট || টুডে টাইমস
ঢাকা: পদ আর যোগ্যতার মূল্যায়ন নিয়ে শঙ্কায় অবসর স্কিম (স্বেচ্ছা পৃথকীকরণ স্কিম-ভিএসএস) বেছে নেয়ার শেষ দিনে মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) পর্যন্ত স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়লেন এয়ারটেল বাংলাদেশের ১২০ কর্মী। এদের মধ্যে এয়ারটেলের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার আশরাফুল এইচ চৌধুরী, চিফ সার্ভিস অফিসার রুবাবা দৌলা ও হেড অব লিগ্যাল সাকিব সিকদার রয়েছেন। বুধবার (৯ নভেম্বর) এই কর্মীদের শেষ কর্ম দিবসে সব পাওনা মিটিয়ে দেয়া হবে বলে জানা গেছে।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, এই স্কিমে কর্মীদের মধ্যে ম্যানেজারের নীচের পদে প্রতি বছরের জন্য ৩টি করে পুরো বেতন আর ম্যানেজারের উপরের পদে প্রতি বছরের জন্য ২টি করে পুরো বেতন কিংবা ম্যানেজারের নীচের পদে প্রতি বছরের জন্য ৪টি করে বেসিক আর ম্যানেজারের উপরের পদে ৩টি করে বেসিক দিতে হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, টেলিকম খাতের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তি হিসেবে এয়ারটেলের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার আশরাফুল এইচ চৌধুরী ৪ কোটি টাকা এবং চিফ সার্ভিস অফিসার রুবাবা দৌলা আড়াই কোটি টাকা পাবে।
জানাগেছে, রবি-এয়ারটেল একীভূত হয়ে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল অপারেটর হতে চলা নতুন কোম্পানিতে যেতে অনাগ্রহী এয়াটেলের মোট ৪৩৫ কর্মীর মধ্যে অবসর স্কিম ঘোষণার আগেই শীর্ষ ২ কর্তাসহ ২৫ জনের মতো চাকরি ছেড়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ে নিয়োজিত ছিলেন ২৫০ জনের মতো। সোমবার পর্যন্ত চাকরি ছাড়ার আবেদন করেছিলেন ৭২ জন কর্মী।
এক প্রশ্নের জবাবে এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেডের হেড-পিআর অ্যান্ড আইসি শমিত মাহবুব শাহাবুদ্দীন টুডে টাইমসকে জানান, একীভূতকরণের কারণে অনেক কর্মীই স্বেচ্ছা অবসরে গেলেও রবি’তে সমান সুযোগ পাওয়ায় অনেকেই আবার থেকে যাচ্ছেন।
তিনি আরও জানান, এই প্রক্রিয়ায় আশা টাওয়ারসহ দেশজুড়ে এয়ারটেলের যে ১২০টি কাস্টমার কেয়ার রয়েছে এসব জায়গা থেকে নিরবিচ্ছিন্ন সেবা পাবেন আমাদের গ্রাহকরা।










