ড্রেনের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি: হাফেজ আব্দুল মোমিনের তৎপরতায় সমাধান,
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার মুসলিম নগর নয়াবাজার থেকে কল্যাণী খাঁন সংলগ্ন আছিমতলা ব্রিজ পর্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ড্রেন নির্মাণের ক্ষেত্রে চরম দায়িত্বহীনতার অভিযোগ উঠেছে। ড্রেনের একদম মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই নির্মাণকাজ চালিয়ে নেওয়া হচ্ছিল, যা স্থানীয় জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করে। অবশেষে এই অনিয়মের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এবং ইউনিয়ন প্রশাসনের
মাধ্যমে সমাধানের দ্রুত ‘আশ্বস্ত’ করে প্রশংসায় ভাসছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াত নেতা ও মুসলিম নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুসলিম নগর নয়াবাজার থেকে আছিমতলা ব্রিজ পর্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ এই ড্রেনটির নির্মাণকাজ চলছিল। কিন্তু দেখা যায়, ড্রেনের ঠিক মাঝখানেই রয়ে গেছে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি। খুঁটিটি না সরিয়েই এভাবে ড্রেন নির্মাণ করলে ভবিষ্যতে ড্রেনের পানিপ্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতো এবং সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ নিত। ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এমন দায়িত্বহীন কাজ দেখেও কেউ মুখ খুলছিলেন না।
বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে ছুটে যান মহানগরী জামায়াত নেতা ও মুসলিম নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাফেজ আব্দুল মোমিন। তিনি কাজের এই চরম ত্রুটি ও অনিয়মের তীব্র প্রতিবাদ জানান। খুঁটি না সরিয়ে ড্রেন করার ক্ষতিকর দিকগুলো তিনি তুলে ধরেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেন।
তার যৌক্তিক ও দৃঢ় প্রতিবাদের মুখে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী বিষয়টি আমলে নেন এবং ড্রেনের মাঝখান থেকে বৈদ্যুতিক খুঁটিটি দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দেন। একই সাথে খুঁটি না সরানো পর্যন্ত ড্রেনের ওই অংশের দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এই ঘটনার পর ফতুল্লার মুসলিম নগর এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, “যদি খুঁটি না সরিয়েই ড্রেনটি করা হতো, তবে লক্ষ টাকা খরচ করেও আমাদের জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে মুক্তি মিলত না। হাফেজ আব্দুল মোমিন ভাই সঠিক সময়ে এসে এই দায়িত্বহীন কাজের প্রতিবাদ করেছেন এবং একাজের সমাধান করিয়েছেন। তার এই সাহসী ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।”
এ বিষয়ে হাফেজ আব্দুল মোমিন বলেন, “জনগণের ট্যাক্সের টাকায় উন্নয়নমূলক কাজ হয় জনগণের সুফলের জন্য, কোনো ভোগান্তি বা লোকদেখানো কাজের জন্য নয়। ড্রেনের মাঝখানে খুঁটি রেখে কাজ করা মানে সরকারি অর্থের অপচয় এবং জনগণের সাথে প্রতারণা। আমি একজন নাগরিক এবং এই এলাকার সন্তান হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন করেছি মাত্র। জনগণের যেকোনো ন্যায্য দাবিতে এবং এলাকার সুষম উন্নয়নে আমরা সবসময় মাঠে থাকব।”










