কম প্রস্তুতিতেও লোক সমাগম বিশাল হয়েছে: সৈয়দ আশরাফ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট || টুডে টাইমস
‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ পালন করতে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে জনসমাগম নিয়ে সন্তোষ জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রাশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “আমাদের তেমন প্রস্তুতি ছিল না তারপরও বিপুল সংখ্যক মানুষের সমাগম হয়েছে। আওয়ামী লীগের শক্তি এদেশের জনগণ। আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ ও গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাব।”
৫ জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনের দুই বছর পূর্তিতে নয়াপল্টনে বিএনপির ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবসের’ জনসভার পাল্টা কর্মসূচি হিসেবে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ ও রাসেল স্কয়ারে দুটি সমাবেশ ডাকে ক্ষমতাসীন দল।
তবে বিএনপির তুলনায় সরকারি দলের দুটি সমাবেশেই জনসমাগম অনেক কম হয়েছে। সৈয়দ আশরাফ তার বক্তৃতায় উপস্থিতির বিষয়ে মন্তব্যও করেন।
সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে সৈয়দ আশরাফ বলেছন, “৫ জানুয়ারি (২০১৫) থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ৬৪ জন হত্যা ও ১৫শ’ মানুষকে আহত করেছেন, ৭ শ’ গাড়ি পুড়িয়েছেন, ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ করেছেন কিসের জন্য? গণতন্ত্রের জন্য! গণতন্ত্রের জন্য মানুষ হত্যা করতে হয় না।”
তিনি বলেন, “আপনি (খালেদা জিয়া) চেয়েছিলেন বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিনত করতে। তাই আপনি রক্তের সেই হোলি খেলা খেলেছিলেন।”
খালেদা জিয়াকে আহ্বান জানিয়ে সৈয়দ আশরাফ বলেন, “আসুন শান্তিপূর্ণ রাজনীতি এগিয়ে নিয়ে যাই। দেশে নির্বাচন হবে, সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। ওই নির্বাচনে একটি জীবনও হত্যার প্রয়োজন হবে না। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি।”
আগামী ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে রেসকোর্স ময়দানে শেখ হাসিনার সমাবেশে সকলকে অংশ নেওয়ার আহ্বানও জানান সৈয়দ আশরাফ।
সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, কৃষিমন্ত্রী ও প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ আজিজ,সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সংসদ সদস্য হাজি সেলিম।
এছাড়া আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের নেতা কর্মীরাও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।










