ঈদে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা সুগম করতে মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে হবে : গাসিক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম
মো. জাকির হােসেন : গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, আসন্ন ঈদুল আযহায় ঘরমুখী মানুষের যাত্রা সুগম করতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে হবে। তাই মহাসড়কের উভয়পাশে কোন গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখা যাবে না। সোমবার দুপুরে চেরাগআলীস্থ গাজীপুর জেলা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক-শ্রমিক আয়োজিত পুলিশ প্রশাসনের সাথে ঈদ উপলক্ষে মহাসড়কে যানজট নিরসনকল্পে মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গাজীপুর জেলা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির যুগ্ম-আহ্বায়ক হোসেন আহমেদ মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (টঙ্গী জোন) আহসানুল হক, টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক, শামসুল আলম, তাজুল ইসলাম তাজু প্রমুখ।
মেয়র জাহাঙ্গীর আলম আরও বলেন, ডেঙ্গুর কোন ভালো চিকিৎসা এখনও আবিষ্কার হয়নি। তাই সবাই বাসা-বাড়ি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখবেন যাতে এডিশ মশার বংশবৃদ্ধি ঘটতে না পারে। তিনি বলেন, পদ্মা সেতুতে মানুষের মাথা লাগবে এধরনের গুজব ছড়িয়ে একটি কুচক্রিমহল দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এসব মিথ্যা গুজবে কেউ কান দিবেন না। সড়ক ও জনপদের প্রকল্পাধীন মহাসড়কের উভয়পাশে ড্রেনেজ কার্যক্রমের দিকে ইঙ্গিত করে মেয়র বলেন, সড়ক ও জনপদ ভবিষ্যত পরিকল্পনা বিহীনভাবে ড্রেনের কাজ করছে যা অদূর ভবিষ্যতে গাজীপুরবাসীর উপকারের চেয়ে অপকারই বেশী হবে। তাদের ধীর গতির কাজের জন্য মহাসড়কের বেহালদশা। খোড়াখুড়ির কারনে মহাসড়ক দিয়ে যানবাহন এমনকি সাধারণ মানুষ হাঁটাচলা করতে পারে না। অথচ এলাকার মানুষ সিটি করপোরেশনকে দোষারুপ করছে।
সভাপতির বক্তব্যে মো. আজাদ হোসেন বলেন, ট্রাফিক পুলিশের যন্ত্রনায় আমরা অতিষ্ট। গাড়ি নিয়ে বের হলেই রেকারের ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় করা হয়। এছাড়াও গাড়ির কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স যাচাই করার নামে ড্রাইভার এবং হেলপারদের হেনস্তা করা হয়। এসব বন্ধ করতে হবে। অবিলম্বে টঙ্গীতে একটি স্থায়ী ট্রাক স্ট্যান্ডের ব্যবস্থা করার জন্য মেয়রের কাছে জোর দাবি জানান তিনি।










