অভিন্ন প্রশ্নপত্রে সারাদেশে শুরু হতে যাচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
গতবছরগুলোর তুলনায় ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একদম ভিন্ন আঙ্গিকে। দীর্ঘ ৫ বছর পর করোনাকাল হতে শুরু হওয়া শর্ট সিলেবাসের অভিশাপ কাটিয়ে এবার পরীক্ষা হবে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে। শুধু তা-ই নয়, ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সারা দেশে পরীক্ষা নেওয়া হবে ‘অভিন্ন প্রশ্নপত্রে।’
আগামী ২ জুলাই থেকে ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে ‘বাংলা ১ম পত্র’ , মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডে আলিমের ‘কুরআন মাজিদ’ এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে ‘বাংলা-২’ বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে সারা দেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এরপর সকল ব্যবহারিক পরীক্ষার সমাপ্তি ঘটিয়ে ১৫ই আগস্ট,২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬।
এই বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডসহ মোট ১১টি বোর্ডে নিয়মিত-অনিয়মিত মিলিয়ে সর্বোমোট অংশগ্রহণ করবেন ১২,৬৭,৪৮৬ জন পরীক্ষার্থী। পরিসংখ্যান বলছে, গত বছর অংশগ্রহণকৃত পরীক্ষার্থীদের সংখ্যা ছিল ১২,৩৫,৬৬১ জন যার তুলনায় এবছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩১,৮২৫ জন বেড়েছে।
সকল বোর্ডের নিজস্ব রুটিন অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে দু’টি শিফটে। প্রথম শিফট: সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১টা এবং দ্বিতীয় শিফট: দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা অবধি চলবে। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার কেন্দ্রে উপস্থিত থাকার কড়া নির্দেশ রয়েছে শিক্ষাবোর্ডের।
যেহেতু এবার অভিন্ন প্রশ্নপত্রে ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডের প্রতিটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সেহেতু প্রশ্নের মান ও ভারসাম্য নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন শিক্ষাবিদরা। আন্ত:শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, কোন এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরীক্ষা গ্রহণে সমস্যা দেখা দিলে সারা দেশের পরীক্ষাই স্থগিত করা হবে। নকল,অনিয়ম এড়াতে সব কেন্দ্রে থাকছে সিসিটিভি ক্যামেরা।
পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নকল, প্রশ্নপত্র সংক্রান্ত গুজব বা অনিয়ম প্রতিরোধে সব কেন্দ্র, উপকেন্দ্র ও ভেন্যুর ২০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোনসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের ওপর কড়া নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে এবং এর মধ্যে অবস্থিত ফটোকপি ও মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ রয়েছে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের।










