আসছে গাজী মিজান এর কন্ঠে “কবর
কবর হলো মৃতদেহকে মাটিতে পুতেঁ রাখার গর্ত। মৃত মানুষকে কবরে শায়িত করাকে বলা হয় “দাফন করা”। মুসলমান, খ্রিস্টান ও ইহুদীদের মৃতদেহ মাটিতে দাফন করা হয়, আর এই কবরেই থাকতে হবে হাজার হাজার বছর, এমনই কথার ছন্দে সাজানো “কবর” শিরোনামের রচিত হয়েছে এই গানটি।
‘কবর’ শিরোনামে নতুন একটি গানে কন্ঠ দিয়েছে এ সময়ের ব্যাস্ততম কন্ঠশিল্পী গাজী মিজান। গানটির কথা লিখেছেন গীতিকবি এ এইচ পলাশ গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন বাসুদেব ঘোষ এবং সুর করেছে আতিক মাহমুদ।
পল এলড্রিন অসির পরিচালনায় গানটির রেকর্ডিং এবং ভিডিও কাজটি সম্পন্ন হয়েছে, মায়া ভরা এ গানটিতে অভিনয় করেছে পল এলড্রিন নিজেই।এ গানটিতে ভিডিও করেছেন খলিল শেখ।
এ গানের কন্ঠশিল্পী গাজী মিজান বলেন এ এইচ পলাশের লেখা গানের কথা গুলোর গাঁথুনি বেশ চমৎকার ছিলো, এই গানটিতে তিনি মানুষের শেষ সমাধি “কবর” হবে, এটাই ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন, এবং তিনি তার লেখাতে সেটা পেরেছেন ও। কবর শিরোনামের এ গানটি অবশ্যই শ্রোতাদের ভালো লাগবে।
গাজী মিজান আরো বলেন “কবর” গানের কথাগুলো সত্যিই আমাকে মুগ্ধ করেছে, কতই না কষ্টের হবে সেই সময়টা, যখন আমার আপন জনেরা-ই আমাকে, কাঁধে করে নিয়ে, আমারি ঘর থেকে আমাকে বের করে, বাড়ির পাশে, অন্ধকার কোন একটা জায়গায় নিয়ে গিয়ে “কবর” দিবে। যেই জায়গার পাশ দিয়ে ,হয়ত আমি, হাজারো বার ,বন্ধু নিয়ে, হাসতে হাসতে, পথ চলেছিলাম। কতইনা অসহায় হব তখন,কিন্তু কিছুই বলার বা করার থাকবেনা সেই সময়ে ।একটু ভেবে দেখেন তো এই মাটির ঘরেই হাজার হাজার বছর আমাদের থাকতে হবে, অথচ আমাদের কিছুই করার থাকবে না, কেউ থাকবে না আমাদের পাশে, আসবেনা কেউ আপনার বা আমার খোঁজ নিতে। কত অসহায় হয়েই না আমরা থাকবো।
গীতিকবি এ এইচ পলাশ বলেন আমি অতি সাধারন ভাবেই মন থেকেই এই “কবর” গানটি লেখার চেষ্টা করেছি, আশা করি এই গানটি সবার মনের মতন একটি গান হতে যাচ্ছে,কারন এ গানে আমাদের শেষ পরিনতির ভাবনাটা সবার মাঝেই ফুটে উঠবে, আমি ধন্যবাদ দিবো গাজী মিজান স্যার কে তিনি এত সহজেই আমার লেখা একটি গান করেছেন , আর সুরকার আতিক মাহমুদ কে দোয়া করি তিনি অসাধারন একটি সুর করে দিয়েছেন আমার লেখা এ গানটিতে, যতবার সুরটা শুনি ততবারই চোখে পানি এসে যায়।
আতিক মাহমুদ বলেন আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি ভাল একটি সুর করতে, জানিনা পেরেছি কিনা,যখনই পল এলড্রিন ভাই জানালেন যে গানটি গাজী মিজান স্যার করবেন, ঠিক তখন থেকেই মনের ভিতর ভয় কাজ করছিলো, এত বড় গুনি মানুষের জন্য সুর করবো, সেই গুনি মানুষের কাছে (গাজী মিজান)স্যার আমার করা সুরটা ভাল লাগবে তো?যাই হোক শ্রোতাদের উপর ছেড়ে দিলাম এখন, এখনো ভয় কাজ করছে।
বিশিষ্ট মিউজিক ডিরেক্টর বাসুদেব ঘোষ এই গানটি সম্পর্কে বলেন, এই গানটির কথা ও সুর আমাকে মুগ্ধ করেছে, আর গাজী মিজান স্যার তিনি তো আমার গুনিজন, এত শক্ত সুরের একটি গান তিনি অনায়াসেই গেয়ে দিলেন। বহু বছর পর গাজী মিজান স্যারের সাথে নতুন একটি নতুন গানের কাজ করা হলো এজন্য পল এলড্রিন কে ধন্যবাদ।
গান তো আমার সন্তান সমতুল্য তাই আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকে একটি গান যেনো গানের মত তৈরী হয়, গীতিকবি এ এইচ পলাশ কে আশিবার্দ করছি, সাথে সাথে প্রাপ্তি আর্ট সাইন এর নির্বাহী পরিচালক পল এলড্রিন কে শুভেচ্ছা জানাই, আর এ গানের সুরকার “আতিক মাহমুদ” কে আমি সুরের যাদুকর বলেই জানবো।
পল এলড্রিন অসি বলেছেন, প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই গাজী মিজান নানা ভাইকে, ছোট বেলা হতেই গাজী মিজান নানা ভাইয়ের গান শুনেই বড় হয়েছি,বেশ কিছুদিন আগে খুলনাতে নানা ভাইয়ের সাথে দেখা করে নানা ভাইকে বলেছিলাম একটা গান করে দেবার জন্য, আর নানা ভাই আমার সেই স্বপ্ন পুরন করেছে।
আমি বাংলা গানের প্রতি খুবই দুর্বল,বাংলা গান করছি শ্রোতাদের জন্য, আগামীতেও করে যাবো, গানটির সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কে ধন্যবাদ জানাই।আমাদের সবার প্রত্যাশা গানটি শ্রোতাদের ভালো লাগবে। আর আমার পরিচালনায় এ গানটির কোন ভুল হলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। বাংলা গানের সাথে থাকুন।










