সাফিয়া ফাউন্ডেশন ফর এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান কণ্ঠশিল্পী সালমা
২০০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর রিয়েলিটি শো ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতা ‘ক্লোজআপ-তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’ দ্বিতীয় আসরের চ্যাম্পিয়ন কুষ্টিয়ার মেয়ে মৌসুমি আক্তার সালমা। দীর্ঘ ১৩ বছরের সংগীত ক্যারিয়ারে অনেক শ্রোতাপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন সালমা।তবে এবার সালমা তার জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন । এবার কাজ করবেন মানবিক উন্নয়নের শিক্ষার প্রসারে । কোমলমতি শিশু সহ সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিজের মেয়ের নামে ফাউন্ডেশন করেছেন সালমা । নাম হলো “সাফিয়া ফাউন্ডেশন ফর এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্ট” ।
মানবিকতা ও মূল্যবোধ জায়গা থেকে গানের মানুষ সালমা কোমলমতি শিশুদের পাশে দাঁড়ালেন। সোমবার (২৮ অক্টোবর) ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট এলাকার বড়দাস পাড়া এলাকার প্রাথমিক স্কুলে তিন শতাধিক শিশুকে শিক্ষা উপকরণ ও খাদ্যসামগ্রী দিলেন এই লালনকন্যা।
সালমা জানান, দীর্ঘদিন যাবত তিনি সমাজের কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু কীভাবে শুরু করবেন বুঝতে পারছিলেন না। এমনকি কারো সহযোগিতাও পাচ্ছিলেন না! জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলাম মানবিক উন্নয়নে কাজ করার মাধ্যমে। শিক্ষার প্রসারে সর্বদা কাজ করবো কোমলমতি শিশু সহ সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে নিজের ফাউন্ডেশন “সাফিয়া ফাউন্ডেশন ফর এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্ট” এর মাধ্যমে। দীর্ঘদিন যাবৎ সমাজের কাজে নিজেকে কিছুটা বিলিয়ে দেয়ার ইচ্ছা নিয়ে বসে ছিলাম। কিন্তু কিভাবে কাজটি শুরু করবো বুঝতে পারছিলাম না। কারো সহযোগিতাও পাচ্ছিলাম না। অবশেষে আমার স্বামী আইনজীবি সানাউল্লাহ নূর সাগরের সহযোগিতায় আল্লাহর নামে শুরু করলাম। মানবিক উন্নয়নে প্রধান এবং একমাত্র হাতিয়ার শিক্ষা। তাই বাকি জীবন টা আমি ও আমার স্বামী মিলে শিক্ষা নিয়ে একনিষ্ঠ ভাবে কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ। আমাদের মত ক্ষুদ্র মানুষের প্রচেষ্টা যদি সামান্য হলেও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে সেটাই হবে পরম পাওয়া। সেই সাথে সমাজের বিত্তবান মানুষদের কে আহবান করবো তারা যেন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন পিছিয়ে পড়া জনপদের মানুষ দের উন্নয়নে। সুন্দর দেশটা আরও সুন্দর হোক, সকলের সুশিক্ষা নিশ্চিত হোক। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের শিক্ষা উপকরণ খাতা কলম,খেলার সরঞ্জামাদি বিতরন সহ দুপুরের খাবার পরিবেশন করলাম। স্কুল কর্তৃপক্ষ সহ স্থানীয় সকল কে ধন্যবাদ আমাদের কে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য।
সালমা বলেন: আমার স্বামী আইনজীবি সানাউল্লাহ নূর সাগরের সহযোগিতায় আল্লাহর নামে শুরু করলাম।মানবিক উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে শিক্ষা। তাই জীবনের বাকিটা সময় আমি ও আমার স্বামী মিলে শিক্ষা নিয়ে কাজ করে যাবো। আমাদের মতো ক্ষুদ্র মানুষের প্রচেষ্টা যদি সামান্য হলেও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে সেটাই হবে পরম পাওয়া।
সালমা বলেন, সোমবার সকাল থেকে হালুয়াঘাটের স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের শিক্ষা উপকরণ খাতা কলম, খেলার সরঞ্জামাদি বিতরণসহ দুপুরের খাবার পরিবেশন করেছি। সেখানে আমি দুটো গানও গেয়েছি। স্কুল কর্তৃপক্ষসহ স্থানীয় অনেকেই আমাদের সঙ্গে ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘সাফিয়া ফাউন্ডেশন ফর এডুকেশনাল ডেভেলপমেন্ট’ নামে একটি এনজিও খুলেছি। সেখান থেকে এসব সামগ্রী দিয়েছি। আমার ছোট মেয়ের নাম সাফিয়া। তার নামে এটা খুলেছি। এই এনজিও’এর চেয়ারম্যান আমি, মহাসচিব আমার স্বামী। আগামীতে কুষ্টিয়াতে শিশুদের পাশে দাঁড়াবো। এরপর সারাদেশে আমাদের কার্যক্রম চলবে।
সমাজের বিত্তবান মানুষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বলেন, তারা যেন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন পিছিয়ে পড়া জনপদের মানুষদের উন্নয়নে। সুন্দর দেশটা আরও সুন্দর হোক, সকলের সুশিক্ষা নিশ্চিত হোক।










