ঢাকাWednesday , 17 January 2024
  1. Environment
  2. National
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. জাতীয়
  10. প্রধান খবর
  11. বিনোদন
  12. ব্যবসা
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষাঙ্গন

গ্যাস সংকটে চরম ভোগান্তিতে রাজধানীবাসী

Link Copied!

দেশজুড়ে চরম আকার ধারণ করেছে গ্যাস সংকট। দিনের বেশিরভাগ সময় চুলায় থাকছে না পাইপলাইনের গ্যাস। এতে করে একদিকে গ্রাহকদের বাড়ছে ভোগান্তি, অপরদিকে বাড়ছে খরচ। প্রতিমাসে সরকারি সংযোগের বিল পরিশোধ করেও পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্যাস মিলছে না, ফলে বাধ্য হয়ে ব্যবহার করতে হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাস।

এবারের শীত মৌসুমের আগেই মূলত গ্যাসের সংকট শুরু হয়। দেশের দুটি এলএনজি টার্মিনালের মধ্যে একটি পরিচালনা করে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি। বিগত ১ নভেম্বর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে যায়। চুক্তি অনুযায়ী সাধারণত পাঁচ বছর পর পর টার্মিনালগুলো রক্ষণাবেক্ষণের আওতায় যায়। এ দফায় মোট ২ মাস গ্যাস সরবরাহ থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছে এক্সিলারেটের টার্মিনালটি।

টার্মিনালটি বন্ধ হওয়ার পর গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ কমে যায়, যার দৈনিক পরিমাণ প্রায় ৪০ থেকে ৫০ কোটি ঘনফুট। যা মোট চাহিদার প্রায় ৮ থেকে ৯ শতাংশ। কিন্তু এ পরিমাণ গ্যাস স্বল্পতার কারণে সামগ্রিকভাবে চাপে পড়েছে গ্যাস খাত, যার কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন- প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাসের যথেষ্ট উৎপাদন নিশ্চিত না করতে পারা।

দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। কিন্তু বর্তমানে পেট্রোবাংলা সরবরাহ করছে ২৫০ কোটি ঘনফুট, যা ২০২০ সালের পর সর্বনিম্ন। বিপুল পরিমাণ এ ঘাটতির প্রভাব দেখা যাচ্ছে শিল্প ও আবাসিক খাতে। বিশেষত আবাসিক পর্যায়ে গ্যাস সংকটের আকার ভয়াবহ। দিনের অধিকাংশ সময় চুলায় মিলছে না গ্যাসের দেখা, রান্নাবান্না করতে নির্ভর করতে হচ্ছে এলপি গ্যাসের ওপর।

অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও ভোগান্তির কথা জানাচ্ছেন অনেকেই। শীতকালে সাধারণত বাসাবাড়িতে গ্যাসের চাহিদা বাড়ে। কিন্তু এবারে উল্টো গ্যাসের সরবরাহই কমে যাওয়াতে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ব্যবহারকারীরা।

বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।